চ্যাম্পিয়নস লিগে কোমোর কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর কোচিং স্টাফের কৌশলের প্রকাশ্য সমালোচনা করেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজ। জবাবে ম্যানেজার মাইকেল কারিক পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন খেলোয়াড়দের মনোভাব নিয়ে। ওল্ড ট্রাফোর্ডে ফের প্রকাশ্য কোন্দল।
ছবি: স্কাই স্পোর্টস
বুধবার রাতে ইতালিতে মাত্র দুই মিনিটের মাথায় নিকো পাসের গোলে পিছিয়ে পড়ে ইউনাইটেড। পাস আরও এক গোল করেন, তাসোস ডুভিকাস ও জ্যাকোবো রামোনের গোলে স্কোর দাঁড়ায় ৪-০। যোগ করা সময়ে জশুয়া জির্কজির সান্ত্বনাসূচক গোলে ব্যবধান কিছুটা কমে। ম্যাচ শেষে টিএনটি স্পোর্টসকে ফার্নান্দেজ বলেন, ম্যান টু ম্যান প্রেস না করে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কোচিং স্টাফের। তিনি বলেন, এই দলগুলোকে জায়গা দিলে তারা আত্মবিশ্বাস পেয়ে যায়।
কারিকের কৌশল ভুল ছিল কিনা জানতে চাইলে ফার্নান্দেজ বলেন, এটা ম্যানেজার ও স্টাফদের দেখার বিষয়, তার নয়। তবে তিনি দাবি করেছেন, চাপের মুখে আরও সাহসী হয়ে হাই প্রেস করতে হবে। প্রথমে গোল খাওয়ার পর দল পরাজয়ের মানসিকতায় চলে যায় বলেও মন্তব্য করেন অধিনায়ক। এ নিয়ে টানা সাত ম্যাচ জয়হীন ইউনাইটেড।
সংবাদ সম্মেলনে পাল্টা জবাব দিয়েছেন কারিক। তিনি বলেন, দ্বিতীয়ার্ধে দল হাফ ম্যান টু ম্যান প্রেস করেছে এবং সেখান থেকেই গোল খেয়েছে। তার ভাষায়, যে কৌশলই খেলো, পেছনে না দৌড়ালে জেতা যায় না। রাগান্বিত কারিক সফরকারী সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেছেন, এভাবে খেলা মেনে নেওয়ার মতো নয়। তিনি স্বীকার করেছেন খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রয়োজনীয় তীব্রতার অভাব ছিল।
পরিসংখ্যানও ইউনাইটেডের লজ্জা বাড়িয়েছে। কোমো ম্যাচে ৫৯৪টি পাস সম্পন্ন করেছে, ২০১৯ সালের এপ্রিলে বার্সেলোনার পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ইউনাইটেডের বিপক্ষে যা সর্বোচ্চ। আর টানা দুই বড় ইউরোপীয় ম্যাচে শুরুর দুই মিনিটের মধ্যে গোল খাওয়া প্রথম ইংলিশ দল ইউনাইটেড। এর আগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হারের পর লিসান্দ্রো মার্তিনেসও ক্লাবের কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করেছিলেন।
সূত্র: স্কাই স্পোর্টস