ডেইলি খবর
সত্যের সন্ধানে, প্রতিদিন
ঢাকা সংস্করণ
ব্রেকিং
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা

পারিবারিক ব্যবসা গবেষণায় বিশ্বে ৭৪তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

পারিবারিক ব্যবসা বিষয়ক গবেষণায় বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। জার্মানির অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ওয়াইফু ফাউন্ডেশন প্রকাশিত প্রথম 'ফ্যামিলি বিজনেস রিসার্চ ইনডেক্স ২০২৬' এ বিশ্বের ২ হাজার ৩৪৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৭৪তম স্থান অর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। সম্প্রতি এই র‍্যাংকিং প্রকাশ করা হয়।

পারিবারিক ব্যবসা গবেষণায় বিশ্বে ৭৪তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স

পারিবারিক ব্যবসা বিষয়ে গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান মূল্যায়নের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো এই বৈশ্বিক সূচক প্রণয়ন করেছে ওয়াইফু ফাউন্ডেশন। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিন বছরে উন্মুক্ত গবেষণা তথ্যভান্ডার 'ওপেনঅ্যালেক্স' এ সূচিবদ্ধ গবেষণা প্রকাশনার ভিত্তিতে এই র‍্যাংকিং তৈরি করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণাকর্মের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জার্নালের অবস্থানও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ওয়াইফু ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, র‍্যাংকিংবিহীন জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের জন্য শূন্য স্কোর নির্ধারণ করা হয়।

ওয়াইফু ফাউন্ডেশন

জার্মানির উইটেন শহরে সদর দপ্তর থাকা ওয়াইফু ফাউন্ডেশন ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি মূলত পারিবারিক ব্যবসা, উদ্যোক্তা পরিবার এবং পারিবারিক ব্যবসাগুলোর দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব ও উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা, পাঠদান এবং জ্ঞান বিনিময়ে কাজ করে থাকে।

উপাচার্যের প্রতিক্রিয়া

বুধবার (২১ অক্টোবর) ঢাবির জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অর্জনের তথ্য জানানো হয়। এ অর্জন প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক ব্যবসা গবেষণায় বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পাওয়া নিঃসন্দেহে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের গবেষণাকর্মে আরও উৎসাহ জোগাবে।

তিনি আরও বলেন, গবেষণার গুণগত মান বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বদরবারে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে চায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ লক্ষ্য অর্জনে গবেষকদের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং গবেষণার পরিধি সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হবে।