ছবি: স্কাই স্পোর্টস
চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে ইতালির ক্লাব কমোর কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। স্তাদিও জুজেপে সিনিগাগ্লিয়ায় বুধবার রাতে সেস্ক ফাব্রেগাসের দলের সামনে পুরোপুরি অসহায় দেখায় মাইকেল ক্যারিকের শিষ্যদের। এই হার নিয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা সাত ম্যাচে জয়হীন রইল ইংলিশ ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরুতেই ফের গোল হজম করল ইউনাইটেড। মাত্র ২ মিনিটে কোমোকে এগিয়ে দেন নিকো পাজ। হ্যারি ম্যাগুয়ারের কাছ থেকে বেশি জায়গা পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে শটে বল গোলের উপরের কোণে জড়ান আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ৪৭ সেকেন্ডে গোল হজমের পর এবার ১১৮ সেকেন্ডে। বড় ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় পরপর দুই ম্যাচে এতো তাড়াতাড়ি গোল হজম করা প্রথম ইংলিশ দল এখন ইউনাইটেড।
বিরতিতে দুটি পরিবর্তন আনেন ক্যারিক। অ্যান্ড্রে সান্তোস ও মাতেউস কুনিয়ার বদলে নামান আমাদ দিয়ালো ও কার্লোস বালেবাকে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবার ভাঙন। ৪৯ মিনিটে পাজের পাস থেকে ম্যাথিস দ্য লিখতকে পেছনে ফেলে গোল করেন তাসোস দুভিকাস। ৫৭ মিনিটে নিজেদের অর্ধে বালেবা বল হারালে দ্রুত ছুটে গিয়ে তৃতীয় গোল করেন পাজ। ৭৬ মিনিটে কাইকির ক্রস থেকে হেডে জাকোবো রামন চতুর্থ গোল করলে লজ্জাজনক হার নিশ্চিত হয় ইউনাইটেডের। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে আমাদের পাস থেকে জসুয়া জিরকজি একটি সান্ত্বনাসূচক গোল করেন।
২০১৫ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরের পর এই প্রথম টানা সাত ম্যাচে জয়হীন (৩ ড্র, ৪ হার) ইউনাইটেড। তিন ম্যাচে মাত্র ৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগ পর্ব থেকেই বাদ পড়ার শঙ্কায় তারা। কোমো এদিন ৫৯৪টি পাস সম্পন্ন করে, যা ২০১৯ সালের এপ্রিলে বার্সেলোনার পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ইউনাইটেডের বিপক্ষে কোনো দলের সর্বোচ্চ। ম্যাচ শেষে ক্যারিক বলেন, আমি সত্যিই রাগান্বিত, কিন্তু এগিয়ে যেতে হবে। এটা আমার জন্য খেলার বিষয় নয়, ক্লাবের জন্য খেলার বিষয়। ইউনাইটেডের পরবর্তী ম্যাচ রোববার ঘরের মাঠে বোর্নমাউথের বিপক্ষে।
সূত্র: স্কাই স্পোর্টস