শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকের একদিনের মধ্যে বড় ধাক্কা খেলেন আলিস আল ইসলাম। ২১ অক্টোবরের ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের জন্য ম্যাচ অফিসিয়ালরা ২৯ বছর বয়সী এই অফস্পিনারকে রিপোর্ট করেছেন বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
ছবি: আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ৮.৩ ওভারে ৪৭ রান দিয়েছিলেন আলিস। ম্যাচটি হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ, এর আগে তারা জিম্বাবুয়ের কাছেও হেরেছিল। আইসিসি জানিয়েছে, শুক্রবার ফাইনালে মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, অভিযোগের পর আলিসকে আইসিসি স্বীকৃত কোনো টেস্টিং সেন্টারে নিজের অ্যাকশনের স্বতন্ত্র মূল্যায়নের মুখোমুখি হতে হবে। মূল্যায়ন চলাকালীন তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং চালিয়ে যেতে পারবেন। তবে পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে তাঁকে বোলিং থেকে নিষিদ্ধ করা হবে, যতক্ষণ না তিনি অ্যাকশন শুধরে পুনর্মূল্যায়নে পাস করেন। রিপোর্ট পাওয়ামাত্রই কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় না, এটাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা।
আইসিসির অবৈধ বোলিং অ্যাকশন বিধি অনুযায়ী, স্বীকৃত ল্যাবরেটরিতে বায়োমেকানিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর অ্যাকশন মূল্যায়ন করা হবে। বোলিংয়ের সময় বাহু কাঁধ বরাবর তোলার পর বল ছোড়া পর্যন্ত কনুইয়ের প্রসারণ ১৫ ডিগ্রির বেশি হলে অ্যাকশন অবৈধ ধরা হয়। নিয়ম অনুসারে, রিপোর্টের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হয়, আর রায় না আসা পর্যন্ত খেলোয়াড় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যেতে পারেন।
বাংলাদেশ দলে আলিসের প্রবেশ খুব সাম্প্রতিক। চলতি মাসের শুরুতে এশিয়ান গেমসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় তাঁর, ওয়ানডে অভিষেকের এক ম্যাচের মধ্যেই তাঁর অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলো। এর আগেও তাঁর বোলিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে অভিযোগের মুখে পড়েছিলেন তিনি, তবে পরে পরীক্ষায় পাস করে বোলিংয়ে ফিরেছিলেন। নতুন করে মূল্যায়নের রায়ের দিকেই এখন তাকিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট।
সূত্র: আইসিসি