ডেইলি খবর
সত্যের সন্ধানে, প্রতিদিন
ঢাকা সংস্করণ
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক গাজা

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গাজায় ইসরায়েলি হামলা: একদিনে শিশুসহ ৫ ফিলিস্তিনি নিহত

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর: যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। রোববার সকাল থেকে গাজা জুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় শিশুসহ অন্তত ৫ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গাজায় ইসরায়েলি হামলা: একদিনে শিশুসহ ৫ ফিলিস্তিনি নিহত

ছবি: আশরাফ আমরা

তাঁবুতে গুলি, শিশুর মৃত্যু

চিকিৎসা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রোববার মধ্য গাজার মাগাজি শরণার্থী শিবিরে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের তাঁবুর দিকে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে মিস্ক হাজেম আল-দালু নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। ফিলিস্তিন ক্রনিকলও এ খবর নিশ্চিত করেছে। একই দিন আল-মাসদার এলাকার কাছে আরেক ফিলিস্তিনি গুরুতর আহত হন।

এছাড়া দক্ষিণ গাজায় আল-শাতি শরণার্থী শিবিরের কাছে ড্রোন হামলায় ২ জেলে আহত হয়েছেন। রাফাহর আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর তাঁবুর দিকে ইসরায়েলি সামরিক যান থেকে ভারী গুলি ছোড়া হয় এবং খান ইউনিসের উত্তর-পূর্বে কামানের গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে।

যুদ্ধবিরতির পর ১,৫১১ ফিলিস্তিনি নিহতের দাবি

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১,৫১১ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫,৩৭৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এই পরিসংখ্যানের পর রোববারের হতাহতের ঘটনা যোগ হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মোট নিহতের সংখ্যা ৭৪ হাজারেরও বেশি বলে মন্ত্রণালয়ের দাবি।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পাল্টা দাবি

অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী শনিবার ঘোষণা করেছে, গত বৃহস্পতি থেকে শনিবারের মধ্যে গাজায় হামলা চালিয়ে তারা হামাসের ৪ সদস্যকে হত্যা করেছে। সেনাবাহিনীর দাবি, নিহতদের একজন ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলায় অংশ নিয়েছিল। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ভাষ্য, ওই ব্যক্তিরা সেনা ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল এবং "পদ্ধতিগতভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন" করছিল।

এর আগের দিন সেনাবাহিনী গাজায় আরও ২ হামাস সদস্য নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল বলে টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। হামাসের পক্ষ থেকে এসব দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আল জাজিরা