ঢাকা, ১৮ অক্টোবর: সুদানের দক্ষিণ দারফুরের নিয়ালা শহরে শুক্রবারের বিমান হামলাকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) পরস্পরবিরোধী দাবি করেছে। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, আরএসএফের অবস্থান ও কমান্ড কেন্দ্র লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলায় 'বহু' যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
অন্যদিকে আরএসএফের দাবি, সেনাবাহিনীর ড্রোন শহরের ব্যস্ত গবাদি পশুর বাজারে আঘাত হেনে ৩০ বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে, যাঁদের মধ্যে ১৭ জন নারী ও পাঁচজন শিশু রয়েছেন। নিয়ালা হাসপাতালের একটি চিকিৎসা সূত্র ডন পত্রিকাকে জানিয়েছে, হামলায় ৩০ জন নিহত ও ৪৭ জন আহত হয়েছেন।
মানবাধিকার সংগঠন ইমার্জেন্সি লইয়ার্স সামাজিক মাধ্যমে জানায়, বাজারে আঘাত হানা ড্রোনটি সুদানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে 'সংশ্লিষ্ট' ছিল। সেনাবাহিনীর একটি সূত্র এলাকায় হামলা বাড়ানোর কথা স্বীকার করলেও দায় স্বীকার করেনি।
তীব্রতর লড়াই
নিয়ালা দক্ষিণ দারফুরের রাজধানী এবং আরএসএফের স্বঘোষিত প্রশাসনের কেন্দ্র। সুদানের সামরিক প্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান সম্প্রতি আরএসএফের দখলে থাকা 'প্রতিটি ইঞ্চি' ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এদিকে দক্ষিণ কর্দোফানে সরকারি একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, আরএসএফ খনি এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে এবং গত ২৪ ঘণ্টায় সুদানের বহু এলাকায় গোলাগুলি তীব্র হয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে চলা এই যুদ্ধে ইতিমধ্যে লাখো মানুষ নিহত হয়েছেন; জাতিসংঘ একে বিশ্বের ভয়াবহতম মানবিক সংকট বলে বর্ণনা করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা