ডেইলি খবর
সত্যের সন্ধানে, প্রতিদিন
ঢাকা সংস্করণ
ব্রেকিং
জাতীয় বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক

ঢাকার সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ ইসলামাবাদের

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আগ্রহের কথা জানিয়েছে পাকিস্তান। সোমবার রাজধানীর মিন্টো রোডে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাতে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এ আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন।

ঢাকার সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ ইসলামাবাদের

ছবি: রাইজিংবিডি

বৈঠকে পাকিস্তান হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার মুহাম্মাদ ওয়াসিফ, পলিটিক্যাল কাউন্সেলর কামরান দাংগাল এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন। অত্যন্ত আন্তরিক, ইতিবাচক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনা

বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ককে ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে এগিয়ে নিতে ইসলামাবাদের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন হাইকমিশনার। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় অগ্রসর হচ্ছে। এর ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ বেড়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে একাধিক সফর বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সুযোগ চিহ্নিত করে তা কাজে লাগানোর বিষয়েও একমত হন উভয় পক্ষ।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগ আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয় আলোচনায়। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ভবিষ্যৎমুখী ও ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে নিতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে উভয় পক্ষ।

নলেজ করিডোর ও শিক্ষা সহযোগিতা

বৈঠকে ‘নলেজ করিডোর’ প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে বিরোধীদলীয় নেতাকে অবহিত করেন হাইকমিশনার। এ সময় জানানো হয়, সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি শিক্ষাবিদ প্রতিনিধিদল পাকিস্তান সফর করে সেখানকার শিক্ষাকাঠামো ও শিক্ষাব্যবস্থা ঘুরে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছে, যা দুই দেশের শিক্ষাগত সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

বৈঠক শেষে পারস্পরিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখা এবং ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে ঢাকা-ইসলামাবাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।