ডেইলি খবর
সত্যের সন্ধানে, প্রতিদিন
ঢাকা সংস্করণ
ব্রেকিং
ওসমানী উদ্যান জাতীয়

জুলাই স্মৃতিসৌধ ও সংস্কারকৃত ওসমানী উদ্যানের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সোমবার সকালে নবনির্মিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতিসৌধ এবং আধুনিকায়ন করা ওসমানী উদ্যানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। সকাল ১০টার দিকে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে তিনি উদ্বোধন করেন এই দুটি স্থাপনা।

জুলাই স্মৃতিসৌধ ও সংস্কারকৃত ওসমানী উদ্যানের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: টিবিএস

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নিহতদের রুহের মাগফিরাত ও দেশের মঙ্গল কামনা করে মোনাজাত করা হয়। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী উদ্যানের নির্ধারিত জায়গায় একটি চারাগাছ রোপণ করেন।

এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

এক দশক পর জনসাধারণের জন্য খুলল উদ্যান

পুরান ও নতুন ঢাকার সংযোগস্থলে অবস্থিত ২৩ একরের ওসমানী উদ্যানকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব জনপরিসরে রূপান্তর করেছে। এক দশক পর ঐতিহাসিক এই উদ্যানটি আবার জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হলো।

সংস্কারকৃত উদ্যানে রয়েছে লেক, ঝরনা, হাঁটার পথ, আধুনিক পাঠাগার, ব্যায়ামাগার, ক্যাফেটেরিয়া, উন্নত আলোকায়ন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং বিস্তৃত সবুজায়ন। উদ্যানটিকে নগরবাসীর হাঁটা, বিনোদন ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর উপযোগী করে সাজানো হয়েছে।

উদ্যানের কেন্দ্রে জুলাই স্মৃতিসৌধ

উদ্যানের কেন্দ্রস্থলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতিসৌধ। শহীদদের নাম ইস্পাতের ফলকে খোদাই করা হয়েছে, আর আন্দোলনের ছবি স্থায়ীভাবে বসানো হয়েছে স্মৃতিসৌধের রেলিংয়ের ভেতরে। স্মৃতিসৌধের সামনে রাখা হয়েছে প্রতীকী কবর।

সবুজায়নের অংশ হিসেবে উদ্যানে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়েছে। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে উন্মুক্ত জনপরিসর হিসেবে উদ্যানটি পুনরায় চালু হওয়ায় নগরবাসীর জীবনে স্বস্তি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।