কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ প্রতিরোধে দেশের প্রতিটি উপজেলায় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রতিটি কমিটির সভাপতি থাকবেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সদস্য-সচিব থাকবেন সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। সোমবার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসানের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
ছবি: দ্য ডেলটা লেন্স
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, মারামারি, আধিপত্য বিস্তার এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদনে কিশোর গ্যাং-সংশ্লিষ্ট অপরাধ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে এসেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। সম্প্রতি পুলিশের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি কিশোর গ্যাংয়ের পাশাপাশি সংঘবদ্ধ অপরাধ, সহিংসতা ও ডিজিটাল প্রতারণাকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি ও সমন্বয়ের এই কাঠামো অভিযানের পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে কমিটি গঠনের ঘোষণা কাগজে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি মাঠপর্যায়ে তা সত্যিকারের কার্যকর ভূমিকা রাখবে—সেটাই এখন দেখার বিষয়।