ডেইলি খবর
সত্যের সন্ধানে, প্রতিদিন
ঢাকা সংস্করণ
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক ইসরায়েল

ইসরায়েলে গোপন সফরে হেগসেথ, নির্বাচনের আগেই নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক

ভোটের মাত্র আট দিন আগে আচমকা ইসরায়েল গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। সোমবার ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় ওভদা বিমানঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেছেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস প্রথমে দুটি সূত্রের বরাতে এই সফরের খবর দেয়; পরে ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম ওয়ালাও তাদের দুটি সূত্রের বরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে।

ইসরায়েলে গোপন সফরে হেগসেথ, নির্বাচনের আগেই নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক

ছবি: জেরুসালেম পোস্ট

ওভদা ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি ভরা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে। অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, হেগসেথ সেখানে মার্কিন সেনাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। পরে সামাজিক মাধ্যম এক্সে সফরের একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, "ঐতিহাসিক মিশনে আমাদের দেশের সেরা মানুষগুলো। গডস্পিড।"

বৈঠকের সময়টা কাকতালীয় নয়। আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নেসেট নির্বাচন — ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা ও গাজা যুদ্ধের পর এটাই দেশটির প্রথম নির্বাচন। প্রতিবেদন বলছে, এই বৈঠক এমন সময়ে হলো, যখন ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান ফের শুরু করা যায় কি না, তা নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যে আলোচনা চলছে।

একদিন আগেই ট্রাম্পের সমর্থন

রোববার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে নেতানিয়াহুকে "সম্পূর্ণ ও পূর্ণ সমর্থন" জানানোর ঠিক এক দিন পর এই গোপন সফরের খবর এল। ট্রাম্প লিখেছিলেন, ইরান মোকাবিলায় নেতানিয়াহু তার মূল অংশীদার, এবং ইসরায়েল "ভুল নেতা" বেছে নিলে যুক্তরাষ্ট্রকেই নিজে এই কাজ করতে হবে।

তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সেই সুরে সায় দেননি। সোমবার ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম টু-ওয়েকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "আমি মার্কিন প্রার্থীদের সমর্থন করি, আর এখন আমার পুরো মনোযোগ মধ্যবর্তী নির্বাচনে। তাই আমি ইসরায়েলের নির্বাচনে জড়াচ্ছি না।" তিনি এও বলেন, "আমি তার পক্ষেও বলছি না, বিপক্ষেও না। আমি শুধু ইসরায়েলের নির্বাচনে জড়াচ্ছি না।" উল্লেখ্য, এই বছরই হাঙ্গেরির নির্বাচনের আগে বুদাপেস্টে গিয়ে ভিক্টর ওরবানকে সমর্থন জানিয়েছিলেন ভ্যান্স।

বৈঠকে আমিরাতের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন বলে ইসরায়েলের আর্মি রেডিও জানিয়েছে। পেন্টাগন ও ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি দূতাবাস বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি; নেতানিয়াহুর কার্যালয়ও এখনো জবাব দেয়নি।

সূত্র: জেরুসালেম পোস্ট