ডেইলি খবর
সত্যের সন্ধানে, প্রতিদিন
ঢাকা সংস্করণ
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

প্যারিস 'খুব শিগগিরই মুসলিম শহর' হবে: ফ্রান্সের অস্থিরতার জন্য অভিবাসনকে দায়ী করলেন ট্রাম্প

ফ্রান্সে চলমান বিক্ষোভ ও সহিংসতার জন্য অভিবাসনকে দায়ী করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার তিনি বলেন, "প্যারিস খুব শিগগিরই মুসলিম শহর হয়ে যাবে।"

প্যারিস 'খুব শিগগিরই মুসলিম শহর' হবে: ফ্রান্সের অস্থিরতার জন্য অভিবাসনকে দায়ী করলেন ট্রাম্প

ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স

হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ফ্রান্সে যা ঘটছে, তা অভিবাসনের কারণে। স্কুল বা অন্য কিছুর সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে সীমান্ত বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "ইউরোপ যদি সীমান্ত বন্ধ না করে এবং বিক্ষোভকারীদের মতো অপরাধীদের বের না করে দেয়, তাহলে ইউরোপ শেষ।"

এর আগে রোববার নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লেখেন, "অভিবাসীরা ফ্রান্স দখল করে নিয়েছে। তাদের দ্রুত সীমান্ত বন্ধ করতে হবে!"

সহিংসতার পেছনে মূল্যস্ফীতি

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল কয়েক সপ্তাহ আগে। স্কুলে শিক্ষক সংকট ও তহবিলের অভাব নিয়ে ছাত্র আন্দোলন থেকেও এর সূত্রপাত। গত সপ্তাহান্তে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। লিমোজের ঐতিহাসিক টাউন হলসহ বেশ কয়েকটি ভবনে আগুন দেওয়া হয়।

খবরে বলা হয়েছে, সপ্তাহান্তে সারা ফ্রান্সে প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বা লুট হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১ হাজার নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন।

কারফিউ ও ম্যাক্রোঁর বার্তা

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্যারিসের প্লাস দে লা রেপুবলিক ও লে আল এলাকায় রাত ১১টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে। বোর্দোতে ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য সপ্তাহব্যাপী রাত্রিকালীন কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ সহিংসতার নিন্দা জানান। তিনি লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিলেও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের "বৈধ" দাবির কথা শোনার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু স্থানীয়ভাবে কারফিউ জারির নির্দেশ দিয়েছেন।